“প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর কিছু চারিত্রিক গুণাবলী”.

 কারো সঙ্গে কথা বলার সময় আমরা উসখুস করে থাকে । কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেননা। রাসূল (সাঃ) এর কথায় কেউ কখনো কষ্ট পায় নাই কিন্তু আমরা আমাদের পরিবারের মানুষদের সাথে, কর্ম ক্ষেত্ররের মানুসদের সাথে বাজে ব্যাবহার করে থাকি । আমাদের ব্যাবহার সচারচর সবােই কষ্ট পেয়ে থাকে , রাসূল (সাঃ) এর ব্যবহারে কেউ কখনো কষ্ট পায় নাই। (  Islamic story- The biography of Prophet Muhammad)

 

 লৌকিকতার প্রয়োজনেও ছোট প্লেটে খাবার খেতেন না আমরা লোক দেখানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকি, এতা বড় প্লেটে খাচ্ছি ? লোকে কি বলবে ? এখন ছোট প্লেটে খাই, মানুষ না থাকলে বড় প্লেটে খাবো সর্বদা আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন, আমরা সব সময় দুনিয়া তে বড় বড় সাফল্য পাওয়ার আসার ব্যাস্ত থাকি ।

অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন আমরা বেশির ভাগ সময়ই অস্থির থাকি ।সব সময়ই আমরা অযাথা কথা বলে থাকি, রাসূল সাঃ বিনা প্রয়জনে কথা বলতেন না। কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে, আমাদের কথায় অনেক জড়তা থেকে যায়।

বক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়, আমরা মাইক পেলে নিজের সব জাহির করে ফেলি শ্রোতার অবস্থা বিবেচনা করি না । এবং এত সংক্ষিপ্ত করতেন না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, সুবাহান আল্লাহ তিনি কত মহান। কথা, কাজে ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না, আমাদের শেখা উচিত।আমাদের ও নম্রতাকে পছন্দ করা উচিত রাসূল সাঃ নম্রতাকে পছন্দ করতেন।


তার নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না, এটা থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত। কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না,এটা করতে আমারা উস্তাদ । আমরা বুঝাতে পারিই না উল্লটো ক্যাচাল লাগাই, শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত রাখতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।

আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন, সুবাহান আল্লাহ । খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না, এমনটা করতে আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক । মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন, অনেক বড় শিক্ষা আমাদের জন্য ।
ক্ষমাকে পছন্দ করতেন, অথচ সব সময়ই আমরা প্রতিশোধ নিতে ইচ্ছুক ।

 

❤❤ ফজরের নামাজে আট ফজিলত ❤❤


যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন, যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ অবহিত হয়, সুবাহান আল্লাহ কত সুন্দর কর্ম পন্থা উনার। সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন, আমরা সর্বদাই অস্থির থাকি । আমারা নিজের সম্পদ শক্তি লোক বল এর উপর ভরসা করি এতে কাজ না হলে তার পরে আল্লাহ কে ডাকি , কিন্তু রাসূল সাঃ সর্বদা আল্লাহর উপর ভরসা করতেন।হাতে যা আসত তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।(সুবহানআল্লাহ)


রাসুল (সাঃ) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে রাসূল (সাঃ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তোফিক দান করুক। আমিন.!!!!!
_________________✍️✍️✍️✍️✍️

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন👍👍

21Shares

Check Also

জবির সিএসইর পুননিযুক্ত বিভাগীয় প্রধানের সাথে সফটরিদম কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

হাফিজুর রহমান:( সফ্টরিদম আইটি থেকে ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পুননিযুক্ত বিভাগীয় …

আসলেও ইসলাম কতটা সামাজিক ?

আমাদের সমাজে একটা গোষ্ঠির মাঝে প্রকট একটি ধারণা বাসা বেধে আছে যে সত্যই কি ইসলাম সামাজিক ভাবে উপকৃত? এমন ধারনা তাদের মনে আসার কারনটা ‍খুব বেশি অমূলক নয়। তারা বা আমরা ইসলামকে কতটা জানতে পেরেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *