A S Fardin Ahmed: 
কিছু দিন আগে Nikola Tesla এবং তাঁর অনেক গুলো বিস্ময়কর আবিষ্কার নিয়ে লিখেছিলাম । সেখানে অনেক কথাই লিখা সম্ভব হয় নি একটা পোস্ট এর মধ্যে । আসলে এই লোকটাকে এত পছন্দ করি এই জন্যই , কারন তাঁর আবিষ্কার গুলো মানুষ কে অনুপ্রানিত করে ।

ফটো গ্রাফিক ব্রেইন/ মেমরি নিয়ে জন্মেছিলেন নিকোলা টেঁসলা । কোন বই / ডিজাইন/ চিত্র একবার দেখলেই ১০০% মনে রাখতে পারতেন । তাঁর lab এ আগুন লেগে এত বছরের প্রায় সমস্ত ডকুমেন্ট পুরে গেলেও তিনি তাঁর ব্রেইনের মেমরি থেকে সব কিছু পুনুরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন ।

বর্তমান প্রযুক্তি দুনিয়ার ৮০% বা তারও বেশি সংখ্যক প্রযুক্তি এসেছে নিকোলা টেসলার কোন না কোন আবিষ্কার গুলো থেকে থেকে প্রতাক্ষ বাঁ পরোক্ষ ভাবে ।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে যা বিজ্ঞান মহলে ঝড় তুলেছে । তাঁর মধ্যে একটি হল

Contractions of Testa Tower And Pyramid Similarity :
========================================

নিকোলা টেসলা যখন রেডিও এর সিগ্নালকে বিবর্ধন করার গবেষণা করছিলেন , তিনি অতি দূরবর্তী স্থান থেকে কিছু অদ্ভুত সিগ্নাল পেয়েছিলেন এবং তিনি হিসাব করে বলেছিলেন সিগ্নালটা Mars বা মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছে । এবং এটি এলিয়েন দের কাছ থেকে প্রাপ্ত । এবং এটাও দাবি করেছিলেন তিনি তাঁদের সিগ্নাল গুলো ডিকোড করে বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন ।কিন্তু তখনকর সময়ে কেউ তাঁর কথা গুলো বিশ্বাস করেনি ।

বর্তমান সময়ে মিশরের পিরামিড নিয়ে গবেষণায় বলা হচ্ছে পিরামিড মানুষের তৈরি কোন স্থাপনা নয় । এলিয়েন প্রযুক্তির সহয়তায় তৈরি করা হয়েছে যেখানে মানুষ এবং এলিয়েন এক সাথে কাজ করেছিলো । কথা গুলো আমার নয় , পিরামিড গবেষকদের ।

পিরামিড এর মত এত বড় (52 – 5,750,000 tons) আর নিখুত একটা স্থাপনা বর্তমান প্রযুক্তিতেও তৈরি করা সম্ভব নয় । পিরামিডের ভেতরে দুটি ব্লকের এর ফাঁকা দিয়ে ব্লেড ও প্রবেশ করানো যায় না ।

পিরামিড সব চাইতে অবাক করা তথ্য হল , পিরামিড নাকি মূলত একটা ওয়্যারলেস ইলেক্ট্রিসিটি তৈরির স্থাপনা ছিল ।

পিরামিডের ভেতরের দেয়ালে বৈদ্যুতিক বাল্ব, তড়িৎ উৎপন্ন করার কিছু ছবি স্পষ্টভাবে পাওয়া গেছে । এমনকি সেখানে বর্তমান যুগে যে
Aircraft গুলো ব্যবহার করা হয় , সেই গুলোর ছবি একেবারে নিখুত ভাবেই বোঝা যায় কোন সন্দেহ ছাড়াই ।

4500-5000 বছর আগে কোন মানুষের পক্ষে এই ধরনের প্রযুক্তি তৈরি করার কথা তো চিন্তাও করা সম্ভব না । হয়তো এমন কোন একটা সভ্যতার পৃথিবীতে এসেছিল , যাদের প্রযুক্তি দেখে তাঁরা পিরামিডের দেয়ালের গায়ে এই ছবি বাঁ ফলক গুলো তৈরি করেছিলো ।

মিশরের ফেরো রাজাদের যে ছবি গুলো পাওয়া যায় তা স্বাভাবিক মানুষদের থেকে আলাদা । মাথা উপরের দিকে অনেক তা বিবর্ধিত । যা এখন কর সময়ে বিভিন্ন আন্তরজাতিক মিডিয়াতে আসা এলিয়েন দের সাথে হুবুহু মিলে যায় ।

এবং একটু সূক্ষ্মভাবে দেখলে বোঝা যায় সব গুলো পিরামিডই কোন না কোন নোনা পানির উৎসের পাশে বানান হয়েছিলো । এবং সেখানে নোনা পানি পিরামিডের নিচ নিয়ে প্রবাহিত করা হত যেটা একটা negative ion তৈরি করত । সেই আয়ন ধাতব দণ্ডের মধ্য দিয়ে পিরামিডের চূড়ায় অবস্থিতিও বিশাল স্বর্ণ খণ্ড দিয়ে dischharge হয়ে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহত হত ।

Tesla Tower তাঁর বিহিন বিদ্যুৎ তৈরির পদ্ধতি ছিল একেবারে পিরামিডের সাথে অভিন্ন পদ্ধতিতে। Tesla tower নিচ দিয়ে যে ক্রিত্তিম লবনাক্ত জলাধার তৈরি করা হয়েছিলো সেই খান থেকে আয়ন গুলো টাওয়ার টির ওপরে অবস্থিত কুন্ডুলি পাকানো তামার পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহত হত ।

তবে কি নিকোলা টেসলা কোন এলিয়েনের কাছ থেকেই তাঁরহীন বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়া শিখেছিলেন ?? এই প্রশ্নটা এখন বিজ্ঞানীদের কাছে স্বাভাবিক হয়ে গেছে ।

Black Knight Satellite :
=================
1899 নিকোলে তেসলা বলেছিলেন পৃথিবীর কক্ষ পথে একটি এলিয়েন শিপ প্রদক্ষিন করে চলছে । তখন তাঁর কথা তেমন কেউ বিশ্বাস করেনি । তাঁর প্রায় 55 বছর পরে 1954 সালে আমেরিকান গবেষক এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন । 1973 সালে বলা হয় এই Black Knight Satellite টি 13000 বছর পুরাতন একটি Satellite
এবং নিকোলা টেঁসলার কথা গুলোর সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। নিকোলা টেঁসলা কিভাবে এই Satellite টির কথা জেনেছিলেন যখন Satellite launched করার মত প্রযুক্তি কারো কাছে ছিল না ।

Philadelphia Experiment / Project Rainbow / teleportation :
============================================
আইনস্টাইন তার যখন Unified Field Theory দিয়েছিলেন তখন বলেছিলেন পৃথিবীতে এমন কিছুই নাই যেটা আলোকে নির্দিষ্ট কোন স্থানে আটকে রাখতে পারবে । তাই “Time Traveling” কেবল কেবল মাত্র এমন কোন গ্রহ বাঁ নক্ষত্রে সম্ভব যার ভর আমাদের সূর্যের ভরের অন্তত ৪-৫ গুন ।

তখন ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলছিল । আমেরিকান নেভির উদ্দেশ্য ছিল কোন একটি জাহাজ কে যদি অদৃশ্য করে রাডার ফাঁকি দিয়ে শত্রুদের একেবারে কাছে গিয়ে হামলা করা যায় ।
আমেরিকান নেভি নিকোলা টেঁসলার কাছে গিয়ে এমন একটি সিস্টেম তৈরি করতে বলে যা আলোকে আটকে রাখবে ।
এবং নিকোলা টেঁসলা সত্যি সত্যি একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গের শক্তিশালি Magnetic Field তৈরি করেন । এবং আলোর তরঙ্গ সেখান থেকে বের হতে অক্ষম হয়ে যায় । তিনি আইনস্টাইনের ধারনা টিকে ভুল প্রমানিত করেন ।

পরবর্তীতে নিকোলা টে স লার এই পদ্ধতকে প্রয়োগ করে 1200 tons ওজনের জাহাজটিকে সম্পূর্ণ অদৃশ্য করে ফেলা হয়েছিলো এবং জাহাজটি ৩২০ কিলোমিটার দূরে Norfolk, Virginia চলে যায় । এবং একই সাথে টাইম ট্রাভেলিং এর ঘটনা ঘটে ।
জালাজটি যেখান থেকে অদৃশ্য হয়েছিলো সেই সময়ের সাথে যেখানে গিয়ে পৌঁছিয়েছিল সেই সময়ের অবস্থানের delay এর মধ্যে কয়েক ঘণ্টার পার্থক্য পাওয়া যায় ।

Nobel Prize Rejection :
==================
নোবেল কমিটি Nikola Tesla কে নোবেল পুরুস্কারে মনোনীত করে । কিন্তু তাঁরা শর্ত দেন নিকোলা টেসলা তাঁর আবিষ্কার গুলো যেন থমাস এডিসনের সাথে শেয়ার করবে । Nikola Tesla এবং Thomach Edison এর মধ্যে ঘটে যাওয়া পূর্বের ঘটনা গুলোর কারনে এডিসনকে এতটাই ঘৃণা করতেন এই প্রস্তাবের পরেই Nikola Tesla নোবেল পুরুস্কার রিজেক্ত করেন । এমনকি Nikola Tesla এডিসনের হাত থেকে পাওয়া একটি Gold Medel মাঝ বরাবর কেটে দুই ভাগ করে বাসার দুজন চাকরের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছিলেন ।

Prediction of Future Technology
========================
বর্তমান আমরা যে প্রযুক্তি গুলো ব্যবহার করছি …… Nikola Tesla আরও ১০০ বছর পূর্বেই এই সব প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বানী করে গিয়েছেন । যেমন :

1. ইলেক্ট্রনিক হিসাব করার ডিভাইস এক সময় সুটকেসের আকৃতিতে ব্যবহার করবে । যেটা ল্যাপটপ এবং কমপিউটারকে বোঝাচ্ছে । [pc/laptop]

২. সবাই একসময় পারসোনাল রেডিও ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে । [FM/AM redio]

 

৩. মানুষ একসময় সেকেন্ডের মধ্যে হাজার হাজার দুরের মানুষদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে , দেখতে এবং কথা বলতে পারবে। [phone]

4.তথ্য এবং ডাটা পাঠাতে কোন তারের প্রয়োজন হবে না । [wifi]

5.মানুষ Artificial Intelligent মানুষের কাজের ক্ষেত্র গুলো জায়গা করে নিবে এবং বিভিন্ন ধ্বংসত্বক অস্ত্রের কাজে Artificial Intelligent ব্যবহার করবে । [AI robot]

6.সামরিক ক্ষেত্রে তরঙ্গ নিস্ক্রিয় করার যন্ত্র গুলো ব্যবহার করা হবে । [ Signal Jammer]

7. মানুষ একসময় বিভিন্ন দুর্যোগ ঘটাতে পারবে । [HAARP]

………
এরকম আরও অনেক অনেক গুলা ভবিষ্যৎবানী …… যা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হয়েছে ।
———————————————————————-

ভাবছিলাম আইনস্টাইনকে নিয়ে একটা কন্টেন্ট লিখব । কিন্তু উইকিপিডিয়া, ইউটিউব , আর বিভিন্ন ওয়েব সাইট গুলাটে তথ্য খুজতে গেলে শুধু পাওয়া যায় …..
1.Theory of relativity
2.Black Hole .
3.Time Traveling
4. 10 or 20 funny fact of Albert Einstein .

যার মধ্যে আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে আইনস্টাইনের প্রায় সব গুলা মতবাদের বিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে দিন দিন ।

যেমন :
=====
1. আইনস্টাইন বলেছিলেন , “কোন কিছু গতি/বেগ আলোর থেকে বেশি হতে পারে না “

-> এটাও এখন ভুল । কারন পরমানুর একটি অস্থায়ী কনিকা “নিউট্রিনো ” যার বেগ আলোর থেকে বেশি ।

2. ব্লাক হোল হতে হলে সূর্যের থেকে কমপক্ষে ৪-৫ গুন বেশি ভর সম্পন্ন হতে হবে ।
-> এটাও বর্তমান আধুনিক গবেষণায় ভুল প্রমানিত হয়েছে ।
সূর্যের থেকে ছোট আকৃতির ব্লাক হোলের সন্ধান পাওয়া গেছে ।

3. Time Traveling নিয়ে যে মতবাদ দিয়েছেলেন …… সেটার এক অংশতো Philadelphia Experiment নিকোলা টেঁসলা ভুল প্রমানিত করে দিয়েছিলেন ।
-> এর পর পরই আইনস্টাইন “Unified field Theory” তুলে নিয়েছিলেন ।

——————————————————————————

আমেরিকা সব সময় আইনস্টাইনকে সারা পৃথিবীর কাছে ফোকাস করেছে আর নিকোলা টেঁসলা কে আড়াল করে রেখেছে । কারন তাঁরা জানে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা হয়েছিলো সেই প্রযুক্তি অনেকেই জেনে গেছে । কিন্তু নিকোলা টেঁসলা বিস্ময়কর আবিষ্কার গুলোর প্রযুক্তি তাঁরা ছাড়া আর কেউই জানে না । জানলে তাঁদের নিজেদের জন্য ভয়ের কারন হয়ে দাঁড়াবে ।

3Shares