জীবন নিয়ে খেলা না । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন

0
7

আচ্ছা আপনার বয়স কত ?  ১৭ , ১৮ , ২২, অারো বেশি আরো বেশি … ইন্টারনেট ব্যাবহার কারিদের বয়স এমনি ।

⚉ বাচবেন কত বছর ? এমন প্রশ্নে বিভিন্ন উত্তর । এই তো ৬৫ , ৭০। তো সৃষ্টিকর্তার জন্য কত টুক করছেন ? আর নিজের জন্য ও আপনার সমাজের জন্য ? ভেবে দেখেছেন ? আপনি অনেক কিছু করবেন, অনেক ভেবে রেখেছেন। কিন্তু আপনি কিছুই করতে পারবেন না, যদি আপনার বুদ্ধি সাথে ভা্গ্যও সহায় না থাকে। সারা পৃথিবীতে প্রতিদিন প্রায় ‍২ লক্ষ্য মানুষ মারা যাচ্ছে । আবার বলি প্রতিদিন ২ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে । আপনি আমি কত খন ?

♻ আজ আমরা গোটা কয়েকজন কে মনে রেখেছি । কেনো জানেন তাদের কর্মের জন্য, তাদের পরিশ্রমের জন্য । কিন্তু আমাদের কি হবে ? আচ্ছা বাদ দিলাম মরেই গেলাম তার পরে আমাদের কি হবে ?

☔ আমাদের মাঝে যত মানুষ মারা যাচ্ছে তাদের বেশির ভাগ হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে । দেখা যাচ্ছে একজন পুরো দস্তুর স্পোর্টস ম্যান অনেক মেনে বেছে চলে, সিম সিমে শরিরের গঠন সেও  একদিন হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে ঠুসস । কোন যুক্তি খুঝছেন ? খুজতে থাকেন ।

অল্প বয়সে যারা মারা যাচ্ছে পুরুষ তাদের বেশির ভাগই সড়ক দূর্ঘনায় । অল্প বয়সে মারা যাচ্ছে যেসব নাড়ী তাদের বেশির ভাগ সন্তান জন্মদিতে । প্রতি বছর প্রতি ১০০০ জনে ২০ জন মারা যান।আমরা মারা যাবার পরেই অথাৎ মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে।চামড়া খসখসে হয়ে যায় । এই ব্যাপার টা যদি বেচে থাকতে হয় তবে আমার আপনার আপন জন লোশন বা তেল নিয়ে দৌড়ে আসবে । “কি অস্থা শরির শক্ত করে ফেলেছে চামড়ার কি হাল, তেল সাবান নেয়নি যেতো কত কাল”

আমরা যখন মারা যাবো, তারপরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না, তারপরে আর কেউ আমার আপনার যন্ত করে নখ কাটতেও আসবে না।আর সবচে মজার ব্যাপার হচ্ছে প্রতি দিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায় ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

☎ আমরা যদি আপন জন থেকে দুরে থাকি তবে তারা কত চিন্তা ভাবনা করে। নিয়মিত খোজ নেন, ফোন দেন আরো কত কি । কিন্তু মৃত্যুর সাথে সাথে কোন ধরনের যান্ত্রিক ব্যাবস্থাই আমাদের কে আর আপন জনের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারে না।

হজরত উসমান রাযি যখন কোনো কবরের পাশে দাঁড়াতেন, তখন এমনভাবে কাঁদতেন যে, নিজের দাড়ি মোবারক ভিজে যেত। তাই একবার তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো আপনি জান্নাত ও জাহান্নাম স্মরণ করে এত কাঁদেন না, যতটুকু কাঁদেন কবর দেখে এর কারণ কী? তখন ‍উসমার রাযি: উত্তর দিলেন, রসুল (সা.) বলেছেন, কবর হচ্ছে আখেরাতের প্রথম ঘাঁটি। এখানে যদি কেউ রক্ষা পেয়ে যায়, তাহলে পরবর্তী সব ঘাঁটি তার জন্য সহজ হয়ে যাবে। আর এখানে কেউ যদি রক্ষা না পায় তাহলে পরবর্তী সব ঘাঁটি তার জন্য খুব কঠিন হবে। তিনি আরও বললেন, রসুল (সা.) বলেছেন, মেরাজের রজনীতে আমি যত ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছি তার মধ্যে কবরের আজাবই হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ।

তিরমিজি শরিফের দুইটা হাদিস লিখলাম কি বুঝাতে চাচ্ছি আপনাদের এবং আমি নিজে ? খুবই সহজ সরল মন মানুষিকতা নিয়ে মরার প্রস্তু নিতে হবে । সহি আমল ও সঠিক আকিদা ( চিন্তা ধারা ) নিয়ে মরতে হবে ভাই ্। তা না হলে কোন ছার নাই।

অনেকে বলে আচ্ছা থাক বয়স হলে সব শুরু করবো । তাদের জন্য বলি একটুও সময় নেই ।

জগন্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ পলিটিক্যাল সাইন্স এর  একজন মেথাবি ছাত্র এ এইচ মকলেছুর রহমান ।

সে আজ চেয়ে থেকে মৃত্যুর ক্ষন গুনছে। কত আনন্দ করার সময় এখন তার । অল্প বয়স শিখবে অনেক শেখাবেও অনেক । কিন্তু তাকে আজ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টএ লাস্ট পোস্ট লিখে ক্ষমা চাইতে হলো। ডাঃ সাহেব গন সময় নির্ধারন করে দিয়েছেন ্।এই এক মকলেছুর রহমান সাহেব কত ‍ কিছুই  তো করতে পারতেন । দেশের জন্য দশের জন্য । কিন্তু সময়টা কই ? 

মানুষ মারা যাবেই । কিন্তু কিভাবে সেটাই মুক্ষ্য বিষয় হয়ে থাকে। আমার আপনার অস্তিত্ব সুধুই কয়েক মুহুর্তের জন্য । 

কিন্তু পৃথিবীর নিয়মে সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় এভাবেই যেতে হবে তাকে । ক্যান্সার তাকে প্রায় শেষ করে দিয়েছে । এখন সুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা । তার শেষ স্টাটাস ছিলো “শুধু এত টুকু মেসেজ দেওয়ার জন্য আল্লাহ সর্বশক্তি মান। আল্লার ভয় করুন। এটা আমার লাস্ট স্ট্যাটাস। আল্লাহ হাফেজ। আল্লাহ যেন আমাকে জান্নাত নরিব করেন সবাই দুয়া করবেন।” কমেন্টে সবাই তার জন্য দোয়া পার্থনা লিখছে । আমিও লিখেছি । আর নিজের জন্য ভাবছি কি হবে আমার ? 

এখন সে শুকিয়ে সর্বশেষ অবস্থান থেকে মৃত্যুর ক্ষন গননা করছে । আসুন নিজে ভালো থাকি, সবাইকে ভালো রাখি । আল্লাহর ইবাদাত ও দুনিয়াতে টিকে থাকার হালাল রুজি করি । সুধু দুনিয়াতে নাম ধন অর্জনের জন্য নিজেকে শূন্যের রাস্থায় ঠেলে দিবেন না । সবাই ভালো থাকবেন । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, শিখতে থাকুন শেখাতে থাকুন। আর একটা কথা মনে রাখবেন নিজের যত্ন নিতে কোন অবহেলা করবেন না , কারন দিন শেষে আপনার  শরির টাই আপনার বসবাসের স্থান । ( মখলেছুর ভাইয়ের ফেসবুক আইডি ) 

মোঃ আতিকুর রহমান অমি রাজ।    

Facebook Comments
0Shares

LEAVE A REPLY