bangabandhu-satellite-bangladesh
bangabandhu-satellite-bangladesh

স্যাটালাইট কি ? bangabandhu-satellite-bangladesh

স্যাটালাইট, এমন একটি যন্ত্র যা মানুষের জীবন যাত্রার আমুল পরিবর্তন এনে দিয়েছে ( bangabandhu-satellite-bangladesh ) । এটি এমন একটি কৃত্তিম যন্ত্র বা বস্তু যা তথ্য সংগ্রহ করার জন্য, মাধ্যম হিসাবে যোগাযোগ করতে, ও অন্য কোন গ্রহের চারপার্শে স্থাপন করা হয় মহাআকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ।

অবাক করা তথ্য হলো মানুষের বানানো এই স্যাটালাইটের সংখ্যা হাজারের উপরে যা কিনা পৃথীবির চারপাশে ঘুরছে।  আধুনিক এই সভ্যতায় স্যাটালাইট অনেক গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে ।

 *কোন কোন স্যাটালাইট বিভিন্ন গ্রহের ছবি সংগ্রহ করে থাকে ।

 * কোনা কোন স্যাটালাইট, আবহাওয়াবিদদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়।বড় আকারের ঝর বা জ্বলস্রাস এর আগাম সতর্কতা দেয়  * কেনোটা জ্যোতি বিজ্ঞানের, জ্ঞ্যানের পরিধি বারানোর কাজ করে যাচ্ছে ।

 * আর কিছু কিছু স্যাটালাইট বা উপগ্রহ আমাদের টিভি সিগন্যাল বা ফোন আলাপনের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে ।  ১৮ টির বেসি স্যাটালাইটের মাধ্যেমে মাধ্যমে বর্তমান আমরা জিপিএস সুবিধা ভোগ করছি, যা আমাদের বর্তমান চিন্তা ভাবনা কে নিক্ষুত করে দিয়েছে।

স্যাটালাইট থেকে পৃথীবিকে দেখতে পাখির চোখে যেমন দেখায় দেখতে তেমনি । এর ফলে স্যাটালাইট থেকে পৃথিবীর এর বড় অংশ দেখতে পাওয়া যায়।

যেহেতু আয়না ব্যাতিতো নিজের কান দেখা টা প্রায় অসম্ভব, তেমনি পৃথিবীতে দ্বাড়িয়ে পৃথিবীকে দেখা আরো বড় অসম্ভব কাজ। 

 

আরো পড়ুন নিকোলা টেসলা (Nikola Tesla)

 

 

স্যাটালাইট পৃথিবী থেকে অনেকটা উপরে স্থাপন করা হয়, যাতে করে মেঘ বা বায়ুতে অবস্থিতি ধুলিকনা স্যাটালিইট কে কোন প্রকার ক্ষতি করতে না পারে ।

যখন স্যাটালাইট ছিলো না তখন টিভি সিগন্যাল বেশি দুরে যেতো না । আর এখন আমাদের প্রচারিত ও প্রাপ্ত তথ্য প্রথমে স্যাটালাইটে এর পরে নিদিষ্ট স্থানে পৌছে ।  

স্যাটালাইটকে মহাশূন্যে পাঠানোর জন্য বিভিন্নি বাহন ব্যাবহার করা হয় ।

এই বাহন গুলো কে বলা হয় উৎক্ষেপন যন্ত্র বা লাঞ্চ ভেহিকেল, মহাশূন্যে স্যাটালাইট পাঠাতে যে বিষয়টির সঙ্গে সবচে বেশি যুদ্ধ করতে হয় তা হলো তা হলো পৃথিবীর অভিকর্ষত্বরণ। পৃথিবীর এই শক্তি, পৃথিবী থেকে কোন কিছু কেই উপরে উঠতে দেয় না ।

তেমনি অনেক ভারি ও বড় একটি স্যাটালাইট নিয়ে উপরে উঠতে অনেক শক্তি খরচ করতে হয় ।

যুদ্ধ করতে হয় পৃথিবীর সঙ্গে। এই্ স্যাটালাইট পাঠাতে দুই ধরনের উৎক্ষেপন যন্ত্র দরকার হয়।

১) অপচয় যোগ্য রকেট

২) মহাশূন্য শাটল।  

স্যাটালাইট স্থাপনের শেষে অপচয় যোগ্য রকেট গুলো ধংস হয়ে যায়। কিন্তু মহাশূন্য শাটল একাধিক বার ব্যাবহার করা যায়। তবে কখন কোন যন্ত্র টি ব্যাবহার করবে তা নির্ভর করে স্যাটালাইট টি কত উপরে পাঠাবে তার উপরে।

স্যাটালাইট কে কম উচ্চতার কক্ষপখে পাঠাতে, বাহক যন্ত্রটির গতি ধরে রাখতে হয় ৭.৮ কি. মি. প্রতি সেকেন্ড এবং বেশি উচ্চতার কক্ষপথে বাহক যন্ত্রটিকে গতি ধরে রাখতে হয় ৩.১ কি.মি. প্রতি সেকেন্ড।

 বিভিন্ন কাজের উপর ভিক্তি করে স্যাটালাইট কে বিভিন্ন উচ্চতায় স্থাপন করতে হয় এবং তার উপরে ভিক্তি করে স্যাটালাইট কে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয় ।

 ক) এল ই ও (LEO – Loe Earth Orbit) :- পৃথিবীর মাটি থেকে ১৬০ থেকে ২০০০ কি.মি. উপরে অবস্থান করে এই স্যাটালাইট গুলো । পৃথিবীর অনেকটা কাছে হওয়ায় এগুলো দিয়েই পৃথিবী পরিদর্শনের কাজে ব্যাবাহার করা হয়। আন্তজার্তিক স্পেস স্টেশন এই কক্ষপথেই অবস্থিত।

 খ) এম ই ও (MEO – Mediam Earth Orbit):- এটা পৃথিবীর মাটি থেকে ২০০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিথ। আমাদের বর্তমান জিপিএস প্রযুক্তিতে এই স্যাটালাইট ব্যাবহার করা হয়। এই স্যাটালাইট গুলো নিজের কক্ষপথে ধিরে সুস্থে ঘুরে । এবং এই স্যাটালাইট পাঠাতে অনেক শক্তি খরচ করতে হয়।

গ) জি ই ও ( GEO – Geostationary Earth Orbit):-  ৩৬০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত জি ই ও স্যাটালাইট । এর অ্যান্টেনা গুলো নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।  ট্রান্সমিশন, টিভি, এবং রেডিওর কাজে এটি ব্যাবহার হয়।  স্যাটালাইট বহুবিধি ব্যাবহারে কাজে লেগে থাকে ।

ডিজিটাল ম্যাপ তৈরিতে ব্যাবহার হয় । মাটির গুনাগুন পরিক্ষার কাজে ব্যাবহার হয়। রাস্তার ত্রুটি বের করে সড়ক দূর্ঘটনা রোধে ব্যাবহার হয়। শহর তৈরি ও শহরের কাঠমো তৈরীতে ব্যাবহার হয়।

আমাদের পৃথিবীর বেশির ভাগ পণ্য আমদানি রপ্তানি হয় সাগর পথে, এই সাগর পথের পণ্য পরিবাহী জাহাজ এর ট্রাকিং-এ স্যাটালাইাট ব্যাবহার করে নিরাপত্তা জোড়দার করা হয় ।

আবহাওয়া পূ্র্বাভাস, বায়ু দুষণ , আকাশ কেন্দ্রীক এমনি হাজার গবেষণার কাজে স্যাটালাইট ব্যাবহার হয়ে থাকে। প্রাকৃতিক বিভিন্ন বিপদের সময় আগাম বার্তার মাধ্যমে মানুষ জাতীর প্রাণ রক্ষায় স্যাটালাইট গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে আসছে।  বিশ্বের ১০ টি দেশের স্যাটেলাইট লঞ্চ করার ক্ষমতা রয়েছে।

 

Order

Country Date of first launch Rocket Satellite
1  Soviet Union 4 October 1957 Sputnik-PS Sputnik 1
2  United States 1 February 1958 Juno I Explorer 1
3  France 26 November 1965 Diamant-A

Astérix

4  Japan 11 February 1970 Lambda-4S Ōsumi
5  China 24 April 1970 Long March 1 Dong Fang Hong I
6  United Kingdom 28 October 1971 Black Arrow Prospero
7  India 18 July 1980 SLV Rohini D1
8  Israel 19 September 1988 Shavit Ofeq 1
– [1]  Russia 21 January 1992 Soyuz-U Kosmos 2175
– [1]  Ukraine 13 July 1992 Tsyklon-3 Strela
9  Iran 2 February 2009 Safir-1 Omid
10  North Korea 12 December 2012 Unha-3 Kwangmyŏngsŏng-3 Unit 2

First launch by country

সোর্সঃ- উইকিপিডিয়া  বিভিন্ন্য আমাদের বিভিন্ন্য উপকার করে থাকে এরা ওয়েদার স্যাটেলাইট: যেমন TIROS, COSMOS এবং GEOS স্যাটেলাইট।

কম্যুনিকেশন স্যাটেলাইট:যেমন জিওস্টেশনারী স্যাটেলাইট।

ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট: যেমন GPSNAVSTAR স্যাটেলাইট।

আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট:  মিলিটারী স্যাটেলাইট  সহ আরো অনেক স্যাটালাইট আমাদের জিবন যাত্রাকে অনেক আধুক , উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলেছে।

লেখাটা ভালো লাগলে অবস্যই আপনার প্রিয়জন দের সঙ্গে শেয়ার করবেন 

9Shares

Check Also

islamic news

“ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের বিভিন্ন অজুহাতে হত্যা নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে করণীয়” শীর্ষক গোলটেবিল হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ …

A 5G-Enabled Foldable iPad

৫ জি আইপ্যাড আসছে। 5G-Enabled Foldable iPad

অ্যাপেল এমন একটি প্যাড নিয়ে আসছে যেটা ৫জি নেটওয়ার্ক সাপর্ট করবে । অ্যাপেলের এই নোটকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *