১) দরবারি পা চাটা হুজুর – ২) সহি আকিদার হুজুর – ৩) মিলাদ পীর – মাহফিল – হুজুর – ৪) ফেতনার ছরিয়ে পেট চালানো ভন্ড হুজুর ।
.
১) দরবারি পা চাটা মোল্লারা
.
এরা ইহুদি নাসারাদের টাকায় চলে । তাদের দেখতে মানুষের মত । তারাও টুপি পাজ্ঞাবী পরে । তারা মদিনা ইউনিভার্সিটিতে বা বড় বড় ইসলামি ভার্সিটিতে পড়ে এসেছে বলে দাবি করে । তাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সুধু ইসলামে সুন্দর সুন্দর কথা বলবে । ইসলামের মনগলানো কথা বলবে ? মানুষকে কাবেজ করে রাখবে । তারা সুন্দর কথা বলার ধরন ও সব ধরনের মিডিয়াতে প্রধান্য পাবে ফ্রি তে ।
.
তাদের কে কখনো অইসলামি শত্রু দেশ বা রাষ্ট্র এর বিরুদ্ধে কিছু বলবে না । মানুষকে এমন ভাবে মগজ ধোলাই দিবে যে মানুষ ও কখনোই ইসলামি শত্রুর বিরুদ্ধে লাঠি ধরার ইচ্ছাই পোষন করবে না । এর ফলে ধিরে ধিরে ইসলামি শত্রু রাষ্ট্রগুলো ইলামি দেশ গিলে খাচ্ছে ।
.
মুসলিম মার খাচ্ছে । এসব হুজুর রাই মানুষকে মার খাওয়াচ্ছে । ইসলাম দিয়ে ইসলামকে ধংসের পায়তারা চাচ্ছে । আপনি যখন নিশ্চিত যে কোন আপনার শত্রু আপনাকে হত্য করবে – তাই আপনি আত্বরক্ষার জন্য তরবারি বানালেন অথবা পিস্তল কিনলেন, হুশিয়ার দিলেন এইযে আমার হাতে এটা আছে তুমি আমার উপর চাওরা হলে এগুলো তোমার উপর প্রয়গ হবে ।
.
এটা দেখে আপনার শত্রু থেমে গেলে দুইজনই শান্তিতে জীব যাপন করতে লাগলেন । যেদিন আপনি হুজুরের শান্তির বয়ান শুনে এসব অস্র শান্তি প্রতিষ্ঠায় নদী তে ফেলে দিয়ে আসলেন সেদিন থেকেই আপনার উপর জুলুম ও কিছু দিন পরে আপনাকে হত্য করা হলো।
.
তাই যে সমস্ত হুজুর আপনাকে , আপনার পরিবার কে , আপনার দেশেকে আপনার নিশ্চিত শত্রু থেকে বাচতে ট্রেনিং বা অস্র তৈরীতে ( ধর্মের যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ) বাধা দিয়ে আপনাকে ওয়াজ ও বয়ানে মিষ্টিতা ছরাবে তখন বুঝবেন সে ইহুদিদের টাকায় চলা হুজুর ।
.
যাতে আপনি শান্তির নামে ট্রেনিং ও অস্র কোনটাই গ্রহন করলেন না তখনই আপনার উপর আক্রম আসলে আপানে সহজে ধংস করা যাবে । তাই এসব হুজুরের মিষ্টি কথা থেকে বিরত থাকুন । তাদের ধংস করতে গেলে বিভিন্ন ফেতনা ছরাবে । তাই তাদের সামাজিক ভাবে প্রতিহত করুন । সবাইকে সতর্ক করুন ।
.
২) সহি আকিদার হুজুর ( কওমি মাদ্রাসার হুজুর )
.
এরা সমাজে এখন খুব একটা পাত্তা পাচ্ছেনা । দরবারি হুজুররা ইহুদি নাসারাদের সহযোগিতায় মিডিয়াতে ব্যপক যায়গা দখল করে সহি হুজুরদের কোন ঠাসা করে ফেলেছে । তারা মাদ্রাসায় শক্তি নিয়ে এগিয়ে রয়েছে । সমাজে তারা ফেতনা , বেদাত, গোনাহ থেকে বেচে থাকার কথা বলছে । তাদের বেশির ভাগ খুব সাধারন জিবন যাপন করে । তারেদ সাথে না মিশে তাদের বুঝতে পারবেনা । আমি মিশেছি খুব উপলদ্ধি করছি । তাদের যতভাবে পারেন সাহায্য করুন ।
.
৩) মিলাদ পীর – মাহফিল – হুজুর

এরা আবেগি হুজুর । এরা অল্প শিক্ষিত মানুষদের চোখের মনি । এদের আমি তেমন দোষ দেই না । এদের পুজি হলো আবেগ । এরাও বর্তমান বিলুপ্ত প্রায় । এরা সহি হুজুরদের বয়ান ও দরবারি হুজুরদের টিভির বক্তব্য এর শ্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ।
.
৪) ফেতনার ছরিয়ে পেট চালানো ভন্ড হুজুর ।
.
এরাও ইসলামে নতুন বিষয় ঠুকিয়ে সেটাকে পুজি করে মনচাই জিন্দেগী , মানুষকে দিয়ে অইসলামিক সকল কাজ কর্ম করাচ্ছে । তারা মহিলাদের বিভিন্ন্য ভাবে ভোগকরে । তারা ইসলামের নামে মানুষকে বিভিন্ন মনরঞ্জন করে থাকে । তারাও ইহুদিদের দারা বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত ।
.
আমার কথা: এগুলো আমার নিজের গোবেষনার কথা । আমি খুবই কষ্ট পাই এমন অবস্থা দেখে । আপনারা যাচাই বাছাই করে নিজের জবিনকে নিরাপদ রাখবেন ।
.
“ ইসলামের জন্য যুদ্ধ,, বিষয়টাকে আজ আড়াল করতে অনেক চক্রান্ত চলছে, সেটা মিডিয়ার মাধ্যমে – অপপ্রচার করে – হুজুরদের ব্যবহার করে ।
.
যার ফলে আজ আমরা শুত্রদের বিরুদ্ধে কোন কিছু বলছি না উল্ট চামরা ছিলে যাচ্ছে আমাদের । মিলাদের সহজ সরল হুজুর রা না বুঝেই তারা তাদের মত জিবন যাপন করছে । আল্লাহর কাছে এমন অন্ধ আবেগ কতটা গ্রহনিয় আমি জানি না । তবে কাজ হবে বলে মনে হয় না।
.
সহি আকিদার হুজুর রা সমাজে অনেক আছে ( সহি আকিদার হুজুর – এখানে যদি তাদের কারোর ব্যক্তিগত খারাপ কর্ম তুলে ধরে ধরে গোষ্টিগত ভাবে আক্রমন করেন তো বুঝেবেন তার ভিতর ঘাপলা আছে )
.
ফেতনা ছরানো ভন্ডদের কথা আপনারা নিজেরাই ভালো জানেন আর কি বলবো ??
.
আল্লাহ আমার গোনাহ মাফ করে দাও । আমার এই অল্প পরিশ্রম কবুল করো ।j

0Shares